ইউরোপের দেশগুলোতে প্রতিবছরের মতো এবারও তীব্র গরম দেখা দিয়েছে। প্রতিবছর মে-জুন মাসে প্রায়ই ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকছে তাপমাত্রা। এতে জনজীবনে ব্যাপক ভোগান্তি হচ্ছে। বিজ্ঞানীরা আশঙ্কা করছেন, ইউরোপের বিশাল অঞ্চলজুড়ে দীর্ঘস্থায়ী হিট ডোম বা 'তাপ বলয়' সৃষ্টি হতে পারে।
- নিজের মেয়েকে উত্ত্যক্তের অভিযোগ, গ্রাম্য সালিশে বাবাকে ৩৩ বেত্রাঘাত
- * * * *
- ফের আন্দোলনের হুমকি দিল ককরোচ পার্টি
- * * * *
- অধিভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে কারিগরি বোর্ডের জরুরি নির্দেশনা
- * * * *
- দিনাজপুর পৌরসভার উন্নয়ন নিয়ে ‘নাগরিক ভাবনা’ বিষয়ক নাগরিক সমাবেশ
- * * * *
- শনিবার স্থায়ী কমিটির বৈঠক ডেকেছে বিএনপি
- * * * *
তীব্র গরম
রেকর্ডভাঙা গরম ও টানা তাপপ্রবাহে ফ্রান্সের বিভিন্ন অঞ্চলে গত রোব এবং সোমবার ২ দিনে কমপক্ষে ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।
তীব্র গরমে শরীরকে সুস্থ ও সতেজ রাখতে প্রয়োজন হালকা, সহজপাচ্য এবং পুষ্টিকর খাবার।
কয়েক দিন ধরে তীব্র গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন। এ অবস্থায় দেশের সব বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
গরমে পুড়ছে শহর-বন্দর-গ্রাম। ভোরের আলো ফুটতেই তাপমাত্রা ভোগাচ্ছে সবাইকে। বেলা যত বাড়ছে, তত বৃদ্ধি পাচ্ছে অস্বস্তি। এই গরমে বেহাল দশা হচ্ছে শরীরের। দেখা দিচ্ছে একাধিক স্বাস্থ্য জটিলতা। দাবদাহের কারণে অনেকের বমির সমস্যা দেখা দিচ্ছে।
কয়েক দিনের তীব্র গরম ও ভ্যাপসা আবহাওয়ার পর অবশেষে স্বস্তির বৃষ্টি পেয়েছে বন্দরনগরী চট্টগ্রাম।
প্রতি বছরের এপ্রিলের দিকে যশোর ও চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা প্রায়ই দেশের সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকে।
সিলেটের তাপমাত্রা আজ অস্বস্তিকর উচ্চতায় পৌঁছেছে, যেন শহরটা আগুনের চুল্লিতে পরিণত হয়েছে। সূর্যের তীব্র ঝলসে গোটা নগরী যেন নিশ্বাস নিতে পারছে না।
ইউরোপে ২০২৪ সালে তীব্র গরমে ৬২ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। এই মহাদেশে গত বছর তীব্র গরমে যারা মারা গেছেন তাদের মধ্যে বয়স্ক এবং নারীর সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি।
গরম বা হিটওয়েভ শুধু অস্বস্তিই সৃষ্টি করছে না, এটি নীরবে মানুষের বার্ধক্য প্রক্রিয়াও ত্বরান্বিত করছে—সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণায় উঠে এসেছে এমন তথ্য।